ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ , ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী যেকোনো মূল্যে সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী ৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টন থেকে র‌্যালি শুরু সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা: বিআরটিএ বাড়ল গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক টেকনাফের পাহাড়ে ফের যৌথবাহিনীর অভিযান  জামালপুরে ট্রাকচাপায় নিহত ৩ ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনা কার্টা: প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন, ১২০ ব‍্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব‍্যাংক হিসাব তলব আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রোনালদো শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গাজীপুরে কর্মস্থলে ফিরছেন শ্রমিকেরা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ০৭-১১-২০২৬ ০৮:০০:৩৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-১১-২০২৬ ০৮:০০:৩৮ অপরাহ্ন
দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৯ নভেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করার সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, যেখানে জনগণের অধিকার ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। 

কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। এভাবেই দেশে ষড়যন্ত্র ও বন্ধনের রাজনীতির সূচনা হয়েছিল।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই দিন সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। 

এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। কিন্তু স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা সেই মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। 

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জনকে থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। 

একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে। কোনো ষড়যন্ত্রই তাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী এবং জনগণের ভোটাধিকারের পক্ষে থাকা সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ রাখা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে এরপর প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

কমেন্ট বক্স
দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী